Skip to main contentSkip to navigation
Case Studies

CPSCS Connect: ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সৈয়দপুরের ৪৭ বছরের ইতিহাস এখন অনলাইনে

T

TrustByte Team

৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

3 মিনিট পড়া3 ভিউ
CPSCS Connect: ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সৈয়দপুরের ৪৭ বছরের ইতিহাস এখন অনলাইনে

৪ এপ্রিল ১৯৭৯, সৈয়দপুর সেনানিবাসের ভেতরে ৫ জন শিক্ষক আর ১৭৬ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করে একটি স্কুল। আজ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সৈয়দপুরে (CPSCS) নার্সারি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে প্রায় ৪,৪০০ শিক্ষার্থী; শিক্ষক ১৪৬ জন, কর্মচারী ১০৬ জন। এখানে বাংলা ও ইংলিশ ভার্সন আছে, কলেজ শাখা আছে, আর অর্জনের ঝুলিতে জমেছে কয়েক দশকের সাফল্য।

অথচ এই গল্পের খুব কম অংশই এক জায়গায় সহজে খুঁজে পাওয়া যেত। সেটা পড়ে ছিল পুরোনো ফাইলে, ফ্রেমে বাঁধানো ছবিতে, সাবেক শিক্ষক আর দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্মৃতিতে। CPSCS চাইল এই অবস্থা বদলাক, দায়িত্ব দিল আমাদের। তার ফল CPSCS Connect।

CPSCS Connect কী?

এটা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাস-ঐতিহ্য আর কমিউনিটিকে ঘিরে বানানো একটা ওয়েবসাইট। সাইটটা বানানো হয়েছে তিন ধরনের মানুষের কথা ভেবে: এখনকার শিক্ষার্থী ও অভিভাবক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, আর এমন যে কেউ, যিনি জানতে চান স্কুলটা আসলে কেমন আর এর শুরুটা কোথা থেকে।

সাইটে কী কী আছে?

  • ঐতিহ্যের টাইমলাইন (১৯৭৯–২০২৬): কর্নেল এস এম শামসুজ্জামানের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা থেকে আজ পর্যন্ত স্কুলের নথিভুক্ত মাইলফলক, বছর ধরে ধরে সাজানো
  • ইন্টারঅ্যাকটিভ মাস্টারপ্ল্যান: ক্যাম্পাসের প্রতিটি ভবন, ল্যাবরেটরি, হোস্টেল আর মাঠ; যেকোনো জায়গা বেছে নিলেই দেখা যায় সেটা কী
  • ক্যাম্পাস ট্যুর: স্কুলের প্রিফেক্টদের চোখে ঘুরে দেখুন পুরো ক্যাম্পাস
  • অর্জনের দেয়াল: সেনানিবাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এইচএসসিতে সেরা ফলের জন্য দুবার জেতা সেনাপ্রধান ট্রফি থেকে শুরু করে ২০১৯ সালের ব্রিটিশ কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যাওয়ার্ড আর জাতীয় অলিম্পিয়াডের ফলাফল
  • প্রাক্তনদের বিশ্ব মানচিত্র: CPSCS-এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা কে কোথায় থাকেন, কাজ করেন; প্রাক্তনরা যত নিবন্ধন করবেন, মানচিত্রটা তত ভরে উঠবে
  • অফিসার্স রোল: যেসব প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন তাঁদের নাম, সঙ্গে ক্যাডেট একাডেমিতে যাঁরা ঢুকেছেন তাঁদেরও
  • এক নজরে স্কুল: নানা তথ্য-পরিসংখ্যান, কর্তৃপক্ষের বাণী, আর অভিভাবকেরা প্রথমেই যে তথ্যগুলো খোঁজেন

একটা স্কুলের ঐতিহ্য নিয়ে ওয়েবসাইট কেন দরকার?

নোটিশ বোর্ডের মতো ওয়েবসাইট আপনাকে জানায় ভর্তির তারিখ। ঐতিহ্যের ওয়েবসাইট জানায়, এখানে কেন ভর্তি হওয়া উচিত।

এখনকার একজন শিক্ষার্থী যখন অফিসার্স রোল বা অলিম্পিয়াডের পদকগুলো দেখে, সে বুঝতে পারে, ঠিক এই ক্যাম্পাস থেকেই মানুষ বহু দূর গেছে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের কাছে বিশ্ব মানচিত্রটা নিজের ব্যাচের বন্ধুদের আবার খুঁজে পাওয়ার উপায়, কখনো কখনো ২০-৩০ বছর পরে। আর স্কুলের জন্য, যে ইতিহাস এত দিন আলমারিতে বন্দী ছিল, সেটা এখন প্রত্যেক অতিথি, অভিভাবক আর সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সামনে তুলে ধরা যায়।

সাইটটা আমরা কীভাবে বানালাম?

ধীরেসুস্থে, যত্ন নিয়ে, কারণ ইতিহাস লিখতে গেলে ভুল হতে সময় লাগে না। তারিখ, নাম আর পদবি সাইটে তোলার আগে যাচাই করা হয়েছে, আর ক্যাম্পাসের মানচিত্র আঁকা হয়েছে মাঠ আর ভবনগুলোর আসল বিন্যাস দেখে। সাইটটা ফোনে দ্রুত খোলে, কারণ বেশির ভাগ অভিভাবক আর প্রাক্তন শিক্ষার্থী কারও শেয়ার করা লিংক থেকে ফোনেই এটা খুলবেন।

CPSCS-এ Autoroutine-ও চলে। আমাদের এই সিস্টেম স্কুলের পুরো বছরের ক্লাস রুটিন বানিয়ে দেয়, আর কোনো শিক্ষক না এলে প্রক্সি ক্লাস কে নেবেন, সেটাও নিজে থেকেই ঠিক করে দেয়। ফলে এক প্রতিষ্ঠানে এখন একই স্থানীয় টিমের বানানো দুটো একেবারে আলাদা সফটওয়্যার চলছে।

অন্য স্কুল-কলেজের জন্যও কি এমন ওয়েবসাইট বানানো যায়?

যায়। বলার মতো ইতিহাস আর আবার এক করার মতো প্রাক্তন শিক্ষার্থী আছে, এমন যেকোনো প্রতিষ্ঠানেরই টাইমলাইন, অর্জনের দেয়াল, প্রাক্তনদের মানচিত্র আর ইন্টারঅ্যাকটিভ ক্যাম্পাস থাকতে পারে। অন্য প্রতিষ্ঠানের জন্য আমরা অ্যালামনাই নেটওয়ার্কও বানিয়েছি, সেগুলো পাবেন আমাদের পোর্টফোলিওতে।

আমরা সৈয়দপুরভিত্তিক একটি সফটওয়্যার কোম্পানি। আপনার স্কুল বা কলেজেরও যদি বলার মতো গল্প থাকে, চলুন কথা বলি।

সম্পর্কিত পোস্ট

Autoroutine: সৈয়দপুরের ১৬০ শিক্ষকের একটি স্কুলে রুটিন আর প্রক্সি ক্লাস যেভাবে নিজে থেকেই চলে

Autoroutine: সৈয়দপুরের ১৬০ শিক্ষকের একটি স্কুলে রুটিন আর প্রক্সি ক্লাস যেভাবে নিজে থেকেই চলে

সকাল ৭টায় একজন শিক্ষক ফোন করে জানালেন, তিনি অসুস্থ। সৈয়দপুরের ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথম ঘণ্টা পড়ার আগেই ফাঁকা ও যোগ্য একজন প্রক্সি শিক্ষক ঠিক হয়ে যান, খবরও পৌঁছে যায়, পুরোটাই অটোমেটিক।

রংপুরের একটি স্কুল যেভাবে Schoolz VIP দিয়ে বেতন, রেজাল্ট আর হাজিরা হাতের মুঠোয় আনল

রংপুরের একটি স্কুল যেভাবে Schoolz VIP দিয়ে বেতন, রেজাল্ট আর হাজিরা হাতের মুঠোয় আনল

বকেয়া বেতন, সপ্তাহের পর সপ্তাহ ঝুলে থাকা রেজাল্ট, eSIF-এর হুলুস্থুল আর দেরিতে খবর পাওয়া অভিভাবক। আমাদের বানানো স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম Schoolz VIP দিয়ে রংপুরের একটি স্কুল কীভাবে পাঁচটা সমস্যারই সমাধান করল, পড়ুন।

নীলফামারীর সফটওয়্যার কোম্পানি: ডিজিটাল এমপি অফিসে যেভাবে মানুষের কথা পৌঁছাচ্ছে

নীলফামারীর সফটওয়্যার কোম্পানি: ডিজিটাল এমপি অফিসে যেভাবে মানুষের কথা পৌঁছাচ্ছে

নীলফামারী-২ আর নীলফামারী-৪ আসনের ডিজিটাল এমপি অফিস এখন চলছে আমাদের প্রতিনিধি প্ল্যাটফর্মে। বাজারের ড্রেন থেকে ইপিজেডের শ্রমিকদের ভোগান্তি, এলাকার যেকোনো সমস্যা জানিয়ে মানুষ দেখতে পারছে তারপর কী হলো।

সব পোস্টে ফিরে যান